‘আমি এখনো কাঁপছি, ঘোর কাটিয়ে উঠতে পারছি না’

‘আমি এখনো কাঁপছি, ঘোর কাটিয়ে উঠতে পারছি না’

‘আমি এখনো কাঁপছি, ঘোর কাটিয়ে উঠতে পারছি না’

সংগৃহীত ছবি

X

সংগৃহীত ছবি

এবারের বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি যেন আগের সবকিছু ছাড়িয়ে যাওয়ার মিশনে নেমেছেন। প্রথম দুই ম্যাচেই পাঁচ গোল করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেছেন। এমবাপে ও হালান্ড চার গোল করে ঠিক তার পেছনে।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় গোল করার পর মেসির গোল উদযাপনের সময় এক কোর্ট-টাই পরা লোকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে উদযাপন করতে দেখা যায়। স্বভাবতই সকলের মনে প্রশ্ন জেগেছে কে এই সাংবাদিক।

তিনি হচ্ছেন আর্জেন্টিনার অন্যতম বড় স্পোর্টস চ্যানেল টিওয়াইসি স্পোর্টস এর সাংবাদিক হোয়াকিন বুনো।

ম্যাচ শেষে এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এই সাংবাদিক বলেন, ‘আমি এখনও কাঁপছি, যেন ঘোর কাটিয়ে উঠতে পারছি না। এটি অত্যন্ত কঠিন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ ছিল, আর আমার স্নায়ুগুলো তখন টানটান উত্তেজনায় ছিল। আমি প্রচণ্ড রকমের নার্ভাস ছিলাম। 

ঠিক সেই মুহূর্তে আমি গোলপোস্টের পেছনে একা ছিলাম, কারণ গ্যাস্টন (এদুল) ম্যাচ-পরবর্তী সাক্ষাৎকারের জন্য মিক্সড জোনে চলে গিয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘এটি ছিল ৯৫তম মিনিট, যখন সেই নাটকীয় মুহূর্তটি ঘটল। প্রথমে হুলিয়ান আলভারেজ শট নিয়েছিলেন এবং শ্লাগার সেটি ঠেকিয়ে দেন। মেসি ফিরতি বলটি পেয়েছিলেন, কিন্তু গোলরক্ষক এবং রক্ষণভাগ তার শট আটকে দেয়। 

তৃতীয় প্রচেষ্টায় ‘দ্য ফ্লি’ আর ভুল করেননি। আমি মাত্র কয়েক মিটার দূরেই ছিলাম এবং অন্য যেকোনো ভক্তের মতো আমি পাগলের মতো চিৎকার করছিলাম।’

সাংবাদিক বলেন, ‘তারপর দেখলাম লিও আমার দিকে আসছে। আমি তখনও চিৎকার করছিলাম আর সে আমার দিকে তাকাচ্ছিল। সে এগিয়ে এসে আমাকে হাই ফাইভ দিল। 

একজন আর্জেন্টাইন ফুটবল ভক্ত এবং মেসির একনিষ্ঠ অনুরাগী হিসেবে আমি এখন যা অনুভব করছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমি এই মুহূর্তটি এবং এই ছবিটি সারাজীবনের জন্য আমার সঙ্গে বহন করব: পাঁচ মিনিট পার হতে না হতেই আমার ফোনটি সেই ছবি পাঠানো বার্তায় ভরে গিয়েছিল।’

ঢাকা ইনফো ২৪ একটি বহুমুখী তথ্য বাতায়ন যেখানে আপনি পাবেন ব্রেকিং নিউজ, লাইফস্টাইল গাইড এবং ক্যারিয়ার বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ সব আপডেট। আপনার প্রতিদিনের তথ্যের চাহিদা মেটাতে আমরা আছি আপনার পাশে।